কনটেন্ট-প্লাগারিজম-সম্পর্কে-বিস্তারিত-আলোচনা

আজ আমরা এই কনটেন্টে “কনটেন্ট অপটিমাইজেশনের” একটি বড় ফ্যাক্টর নিয়ে সেটি হচ্ছে কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। এই কনটেন্ট এ আমরা আলোচনা করব Plagiarism কি, কিভাবে অপ্টিমাইজ করবো, কেন এটি জরুরি SEO এর জন্য, এটি করার জন্য আমরা কি বিষয় এড়িয়ে চলতে পারি, আর হ্যাঁ কিভাবে আপনি একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্টের Plagiarism চেক করে সেটিকে ইউনিক করতে পারি, সব কিছু নিয়েই আজকের এই কনটেন্ট। 

আমরা জানি আমাদেরকে প্রতিনিয়ত আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট লিখতে হয়। ধরুন, আপনি এমন একটি সময় দেখলেন যে আপনি একটি কন্টেন লিখছেন এবং সেই কোনটি হুবহু বা কিছু কিছু পয়েন্ট অন্য আরেকটি ওয়েবসাইটে আছে। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সেই কনটেন্টটিকে বেশি প্রায়োরিটি দিবে না। তখন সার্চ  ইঞ্জিন এটিকে একটি Plagiarism কনটেন্ট হিসাবে গণ্য করবে। সুতরাং কিভাবে আমরা একটি কনটেন্টকে Plagiarism(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) মুক্ত করতে পারি তা সম্পূর্ণ থাকছে এই আজকের কনটেন্ট এ।

Plagiarism কি?

Plagiarism মূলত হচ্ছে কোনো অন্য ব্যাক্তির কাজকে নকল করে সেটি নিজের নাম এ চালিয়ে দেয়া। মানে হচ্ছে অন্য ব্যাক্তি কোনো ওয়েবসাইট এর জন্য কনটেন্ট তৈরি করছে, ওই কনটেন্টকে আপনি কপি করে দাবি করতেছেন যে এটি আমাদের কনটেন্ট।

কিন্তু যদি আমি এই একই বিষয়ে এসইও এর মধ্যে নিয়ে আসি তাহলে সবকিছুর মানে একই হয়। যখন আপনার ওয়েবসাইটে পেইজের মধ্যে এমন একটি কনটেন্ট আছে যা কপি এবং আপনি বলতেছেন এই কনটেন্টটি আমার। এটি শর্ত যে যেহেতু এই কনটেন্ট টি আপনার ওয়েবসাইট এর মধ্যে আছে এই আপনার কিন্তু এই একই কনটেন্ট অন্য আরেকটি ওয়েবসাইট এ আছে। এই বিষয়টিকে আমরা বলে থাকি  Plagiarism ।

SEO এর মধ্যে Plagiarism কে এক ধরণের স্প্যাম হিসেবে মানা হয়। আপনি যদি এক জায়গা থেকে লিমিটেশন এর বাইরে প্লাগারিজম(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) করে থাকেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইট ব্ল্যাকলিস্ট হতে পারে, রেঙ্কিং ডাউন হতে পারে কিংবা সার্চ ইঞ্জিন এ আপনার ওয়েবসাইট শো নাও হতে পারে। এইসব বিষয় যা আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে বা মনে রাখতে হবে। আশা করি Plagiarism মানে কি এই বিষয়ে বুঝছেন। এটিকে কেউ কেউ ডুপ্লিকেট কনটেন্ট বলে কিন্তু ডুপ্লিকেট কনটেন্ট একটু ভিন্ন। মানে ধরুন, একটি ওয়েবসাইট এর এক পেজ এ একটি কনটেন্ট আছে আর আপনি সেটি ব্যবহার করছেন আপনার ওয়েবসাইট এবং সেখানে লেখক এর ক্রেডিট দিয়ে দিছেন বা সেই লেখক নিয়েই বলছে যে এটি আপনি ব্যবহার করতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইট এ তবে আপনি ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবহার পারবেন কিন্তু তবুও এটি কিন্তু Plagiarism এর মধ্যে আসবে না। 

ডুপ্লিকেট কনটেন্টও অন্য একজন এর ওয়েবসাইট থেকে নেয়া হয় কিন্তু Plagiarism মানে এককথায় কোনো unauthorized content কে কপি করে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করা এবং আপনি দাবি করতেছেন যে এটি আপনার কনটেন্ট। 

আর হ্যাঁ এর মধ্যে আমি বলতে চাই ডুপ্লিকেট কনটেন্ট এবং প্লাগারিজম(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) এর মধ্যে কোথায় পার্থক্য সেটি বুঝছেন আশা করি। তো চলুন এবার দেখা যাক কিভাবে বের করা যায় একটা ওয়েবসাইট এর বা আমাদের কোন ওয়েবসাইটের মধ্যে কোন কনটেন্ট Plagiarism কিনা।

কিভাবে আমরা ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট প্লাগারিজম চেক করব?

Plagiarism চেক করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের টুলস ব্যবহার করতে পারি। এটির জন্য আমি ২টি টুলস রেকমেন্ড করবো আপনাদের ব্যবহার করার জন্য। প্রথমটি smallseotools, searchenginereports । 

এই ২টির মধ্যে আপনি যে কোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে এইখানে আমি smallseotools টি ব্যবহার করতেছি আপনাদের দেখানোর জন্য। চলুন শুরু করা যাক-

যখনই আপনি smallseotools এর ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করবেন তখন এই ধরণের একটি ইন্টারফেস দেখবেন। আর এই ওয়েবসাইট এ বিভিন্ন ধরনের টুলস আছে সেখান থেকে PLAGIARISM CHECKER এ আমাদের ক্লিক করতে হবে।

কনটেন্ট-প্লাগারিজম-সম্পর্কে-বিস্তারিত-আলোচনা-প্লাগারিজম-checker

যখন আপনি এটির উপর ক্লিক করবেন তখন আপনি প্লাগারিজম(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) টুলস এর মধ্যে প্রবেশ করবেন এবং এইখান থেকে Plagiarism চেক করতে পারবেন। আপনি একটি কনটেন্ট লিখেছেন, এখনো ওয়েবসাইট এ পাবলিশ করেনি বা ওয়েবসাইট এর URL এর মাধ্যমে এটি করতে পারবেন। 

আমরা এখন এই টুলস এর মাধ্যমে Plagiarism চেক করবো। এর জন্য আমি একটি আমার লেখা কনটেন্ট নিবো এর পর smallseotools এর plagiarism checker টুলস এর মধ্যে পুট করবো। এবং check plagiarism এ ক্লিক করবো। এর কয়েক মিনিটের মধ্যে এই টুলসটি আমাদের বলবে যে এটি plagiarism কিনা। চলুন দেখা যাক-

এইখানে আমরা দিকতেছি যে এই টুলস টি বলতেছি যে এটি সম্পূর্ণ ইউনিক কোনো ধরণের plagiarism নাই। নিচে screenshot দেয়া হলো:-

কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা
কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

আপনি যদি এর বাইরেও ভালো Plagiarism checker জেনে থাকেন তাহলে আমাকে এই কনটেন্টে কমেন্টে জানিয়ে দিন। আপনি এইভাবে আপনার কনটেন্ট আপনি চেক করতে পারেন খুব সহজে।

এখন কথা বলা যাক যদি আমরা একটি ওয়েবসাইট এর SEO করি তাহলে ওই ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট এ Plagiarism কত পার্সেন্ট থাকে বা গ্রহণযোগ্য। এটিকে কেউ কেউ বলে ১০% আবার কেউ ৫%। এটির জন্য একটি কাজ করি, একটি কীওয়ার্ড লিখে আমরা গুগল এ সার্চ করি এবং সেখান থেকে টপ যে ওয়েবসাইট গুলো তাদের Plagiarism(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) কতটুকু তা চেক করা যাক।

এটির জন্য আমরা এই কীওয়ার্ড লিখে সার্চ করবো “home cleaning service”। এটি সার্চ করার পর বেশ কয়েকটি রেজাল্ট চলে আসছে এবং এই রেজাল্ট গুলোর টপ ওয়েবসাইট টি চেক করা যাক। প্রথমত আমাদের এই ওয়েবসাইট এর লিংক বা ইউআরএল টি কপি করতে হবে এবং smallseotools এর plagiarism checker টুল এ আসতে হবে এরপর “Check Plagiarism via Webpage URL” এ আমাদের সেই ওয়েবসাইট এর লিংকটি এই জায়গায় পেস্ট করে দিতে হবে। চলুন তাহলে করা যাক-

Plagiarism content result
Plagiarism result for website

চেক করার পর আমরা দেখতে পেলাম এই ওয়েবসাইটের Plagiarism 33% এবং Unique 67% । এইভাবেই content Plagiarism আমরা চেক করতে পারি।

এখানে একটি প্রশ্ন আসে যায় যে কত পারসেন্ট গ্রহণযোগ্য। দেখুন আপনাকে চেষ্টা করতে হবে যে, আপনার যে কনটেন্ট সেটাকে ১০০% Unique করার। আরার কোনো সময় আপনি ১০০% এ পৌছাতে না পারলে মিনিমাম ৮০ বা 90% করতে পারেন। এইখানে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে এটি একটি রেঙ্কিং এর ক্ষেত্রে বড় important রোল প্লে করে। এর আগেই আমি বলছি যে ভালো কনটেন্ট হলো ভালো রেঙ্কিং পসিশন এ আসতে পারবেন। কারণ সার্চ ইঞ্জিন এই চায় যে সার্চ এর মাধ্যমে যে রেজাল্ট গুলো আমার অডিয়েন্স এর কাছে আসে সেগুলো যে রিলেভেন্ট হয়, ভালো বা কোয়ালিটি কনটেন্ট তারা যেন পায়। এই বিষয় গুলো বিশেষ করে গুগল এই বিষয় গুলো নজর রাখে যে আপনার কনটেন্ট কি ধরণের। এখানে আমি রিকমেন্ড করব যে ১০০ পার্সেন্ট ইউনিক করার ট্রাই করবেন বা চেষ্টা করবেন।

পূর্বের কনটেন্ট গুলো পড়ে আসতে পারেন:-
কম্পেটিটর এনালাইসিস
সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং ফ্যাক্টর

আমরা SEO এর মধ্যে Plagiarism কিভাবে Avoid করতে পারি?

আপনার যদি একটি নতুন বা ফ্রেশ ওয়েবসাইট থাকে অথবা এখনো কোনো কনটেন্ট পাবলিশ করা হয় নাই। তাহলে এই বিষয় গুলোই সাজেস্ট করুন আপনার কনটেন্ট writer কেযে আপনার কনটেন্ট যেন Unique হয়। কিন্তু যদি আপনার কাছে এতিমধ্যেই এমন কোনো ওয়েবসাইট আছে যেগুলোর মধ্যে কনটেন্ট আছে। আপনি চেষ্টা করবেন যে ওই সব কনটেন্ট এর মধ্যে Plagiarism(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) থাকলে তা চেঞ্জ করার। কারণ যত বেশি আমাদের কনটেন্ট Unique হবে ততবেশি আমাদের রেজাল্ট ভালো পজিশন এ আসবে। 

যদি আপনি কথা বলেন আপনার clients সম্পর্কে তাহলে তাকে আপনি বুঝতে পারেন যে কোনো Plagiarism গুরুত্বপূর্ণ রেঙ্কিং এর ক্ষেত্রে। 

এর সাথে আমি ২য় বিষয় সাজেস্ট করবো “LSI keywords” ব্যবহার করার। কনটেন্ট লেখার সময় আপনি যদি LSI keywords ব্যবহার করেন তাহলে যেমন উদাহরণ স্বরূপ, মনে করুন আপনি একটি coaching classes নিয়ে কনটেন্ট লিখছেন এবং coaching যে শব্দটি এই জায়গায় আপনি যদি বার বার coaching ওয়ার্ডটি ব্যবহার করেন তাহলে কপি এর সম্ভবনা থাকে যে আপনার unintentionally এটি Plagiarism আসে যায়। যদি আপনি বিভিন্ন জায়গায় coaching এর পরিবর্তে তার synonym ওয়ার্ড গুলো ব্যবহার করেন তাহলে এর ফলে বেটার combination তৈরি করতে পারেন। যার ফলে যে unintentionally Plagiarism তা আর থাকে না বা থাকার সম্ভবনা কম থাকে। সুতরাং এটির জন্য আপনি LSI keywords ব্যবহার করতে পারেন। 

আর তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে অনেকেই আছে যারা কোন ওয়েবসাইট থেকে কনটেন্টকে নিয়ে rewrite বা spinning করে সেটি নিজের ওয়েবসাইট এ পাবলিশ করে। এটি আপনাকে কখনোই করা যাবে না। চেষ্টা করবেন original content বা Unique কনটেন্ট লেখার। উপরের ৩টি বিষয় বোঝার সুবিধার জন্য দেয়া হলো:-

  • Unique/original content 
  • Use LSI keywords
  • Avoid article spinning

এই কনটেন্টে আমি ইতিমধ্যে আমরা আলোচনা করছি কিভাবে আপনি  আপনি প্লাগারিজম(কনটেন্ট প্লাগারিজম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা) চেক করবেন, কেন এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ  ইত্যাদি। আজ থাকছে এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন।

By Blogger Ujjal

Ujjal is a professional blogger from Bangladesh. He has been working as a blogger for 3 years. He loves this sector and tries to publish different types of content.

Leave a Reply

Your email address will not be published.